বেঞ্জামিন হ্যারিসন
এই নিবন্ধটি ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করা প্রয়োজন। এই নিবন্ধটি ইংরেজি ভাষায় লেখা হয়েছে। নিবন্ধটি যদি ইংরেজি ভাষার ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে লেখা হয়ে থাকে তবে, অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি ঐ নির্দিষ্ট ভাষার উইকিপিডিয়াতে তৈরি করুন। অন্যান্য ভাষার উইকিপিডিয়ার তালিকা দেখুন এখানে। এই নিবন্ধটি পড়ার জন্য আপনি গুগল অনুবাদ ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জাম দ্বারা অনুবাদকৃত লেখা উইকিপিডিয়াতে সংযোজন করবেন না, কারণ সাধারণত এই সরঞ্জামগুলোর অনুবাদ মানসম্পন্ন হয় না। |
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
Benjamin Harrison | |
|---|---|
| 23rd President of the United States | |
| কাজের মেয়াদ March 4, 1889 – March 4, 1893 | |
| উপরাষ্ট্রপতি | Levi Morton |
| পূর্বসূরী | Grover Cleveland |
| উত্তরসূরী | Grover Cleveland |
| Indiana থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনেট | |
| কাজের মেয়াদ March 4, 1881 – March 4, 1887 | |
| পূর্বসূরী | Joseph McDonald |
| উত্তরসূরী | David Turpie |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ২০ আগস্ট ১৮৩৩ North Bend, Ohio, U.S. |
| মৃত্যু | ১৩ মার্চ ১৯০১ (বয়স ৬৭) Indianapolis, Indiana, U.S. |
| রাজনৈতিক দল | Republican Party (1856–1901) |
| অন্যান্য রাজনৈতিক দল | Whig Party (Before 1856) |
| দাম্পত্য সঙ্গী |
|
| সন্তান | |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | |
| জীবিকা | Lawyer |
| ধর্ম | Presbyterianism |
| স্বাক্ষর | |
| সামরিক পরিষেবা | |
| শাখা | Union Army |
| পদ | Brigadier General |
| ইউনিট | Army of the Cumberland |
| কমান্ড |
|
| যুদ্ধ | American Civil War |
বেঞ্জামিন হ্যারিসন (২০ আগস্ট, ১৮৩৩ - ১৩ মার্চ, ১৯০১) ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৩তম রাষ্ট্রপতি, ১৮৮৯ থেকে ১৮৯৩ সাল পর্যন্ত। ভার্জিনিয়ার বিখ্যাত হ্যারিসন পরিবারের সদস্য ছিলেন তিনি - নবম রাষ্ট্রপতি উইলিয়াম হেনরি হ্যারিসন তাঁর দাদা, আর দেশের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন বেঞ্জামিন হ্যারিসন পঞ্চম ছিলেন প্রপিতামহ। গৃহযুদ্ধে উত্তরপক্ষের (ইউনিয়ন) সেনাবাহিনীর ভেটেরান এই রিপাবলিকান নেতা ১৮৮৮ সালের নির্বাচনে তখনকার প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ডকে হারিয়ে জিতে যান।
হ্যারিসনের জন্ম ওহাইও নদীর ধারের একটি খামারে। ওহাইওর অক্সফোর্ডে মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে পরে ইন্ডিয়ানাপোলিসে চলে আসেন। সেখানে তিনি নামকরা আইনজীবী, প্রেসবাইটেরিয়ান গির্জার নেতা আর ইন্ডিয়ানা রাজ্যের রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান। গৃহযুদ্ধের সময় তিনি কর্নেল হিসেবে যুদ্ধ করেন, আর ১৮৬৫ সালে সেনেট তাঁকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের পদমর্যাদা দেয়। ১৮৭৬ সালে ইন্ডিয়ানার গভর্নর পদে তিনি হেরে গেলেও, পরে রাজ্যের আইনসভা তাঁকে ছয় বছরের জন্য সেনেটর নির্বাচিত করে (১৮৮১-১৮৮৭)।
রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে ১৮৮৮ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। জনগণের ভোটে পিছিয়ে থাকলেও ইলেক্টোরাল ভোটে ক্লিভল্যান্ডকে হারান। হ্যারিসনের শাসনকালের বড় ঘটনা হলো একের পর এক অভাবনীয় অর্থনৈতিক আইন পাস - যেমন ম্যাককিনলে শুল্ক আইন যাতে আমদানির উপর রেকর্ড উচ্চ হারে শুল্ক বসে, আর শেরম্যান অ্যান্টি-ট্রাস্ট আইন যা একচেটিয়া ব্যবসা বন্ধের আইনি হাতিয়ার দেয়। ১৮৯১ সালের ভূমি আইনে সংশোধন এনে তিনি জাতীয় বনাঞ্চল তৈরির পথ তৈরি করে দেন। তাঁর সময়েই পশ্চিমের ছয়টি রাজ্য ইউনিয়নে যোগ দেয়। এছাড়া তিনি আমেরিকার নৌবাহিনীকে আধুনিক ও শক্তিশালী করেন, আর বৈদেশিক নীতিও বেশ জোরেশোরে চালান। তবে কালো আমেরিকানদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা আর শিক্ষাখাতে ফেডারেল বরাদ্দের তাঁর প্রস্তাবগুলো পাস হয়নি।
বেশিরভাগই শুল্ক থেকে আয় বেড়ে যাওয়ায়, তাঁর সময়েই প্রথমবারের মতো সরকারি ব্যয় এক বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। এই ব্যয়বৃদ্ধিই মূলত দায়ী ১৮৯০ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারার পেছনে। পরে ১৮৯২ সালে শুল্ক ও ব্যয় বাড়ার অসন্তুষ্টিতে ক্লিভল্যান্ডের কাছে হেরে যান হ্যারিসন। প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়ার পর তিনি ইন্ডিয়ানাপলিসে ফিরে আইন পেশায় যোগ দেন। ১৮৯৯ সালে ভেনিজুয়েলার হয়ে ব্রিটিশ গায়ানা সীমান্ত নিয়ে যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে মামলা লড়েন, প্যারিসে আদালতেও গিয়েছিলেন। এর কিছুদিন পর ১৯০১ সালে ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে ইন্ডিয়ানাপলিসের বাড়িতেই মারা যান। কালো নাগরিকদের ভোটাধিকারের পক্ষে তাঁর অবস্থান, পরিশ্রমী স্বভাব আর সততার জন্য অনেকে তাঁকে সম্মান দেন। তবে গবেষকদের মতে, তাঁর শাসনকাল তেমন উল্লেখযোগ্য ঘটনাবহুল না হওয়ায় তিনি গড়পড়তা প্রেসিডেন্টই ছিলেন।[১] ১৮৯২ সালে ক্লিভল্যান্ডের কাছে তার পরাজয়ের ফলে তিনি হলেন প্রথম রাষ্ট্রপতি যার স্থলাভিষিক্ত হন তারই সরাসরি পূর্বসূরি।
- ↑ Spetter, Allan B. (৪ অক্টোবর ২০১৬)। "BENJAMIN HARRISON: IMPACT AND LEGACY"। Miller Center। University of Virginia। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০১৮। "তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যমের অভাব আর শাসনামলে বড় ধরনের যুদ্ধের মতো কোনো সত্যিকারের উল্লেখযোগ্য ঘটনা না ঘটায়, হ্যারিসনকে—পুনর্গঠন-পরবর্তী আমল থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত সব প্রেসিডেন্টের মতোই—মাঝারি মানের প্রেসিডেন্টের কাতারে ফেলা হয়েছে। ইতিহাস তাঁকে একজন গড়পড়তা প্রেসিডেন্ট হিসেবেই স্মরণ রেখেছে, যিনি সেরাদের কাতারে না উঠলেও নিকৃষ্টদের দলেও পড়েন না।"
- ১৮৩৩-এ জন্ম
- ১৯০১-এ মৃত্যু
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি
- ইনফ্লুয়েঞ্জায় মৃত্যু
- ইংরেজ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- স্কটিশ-আইরিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- ইন্ডিয়ানায় নিউমোনিয়ায় মৃত্যু
- ১৯শ শতাব্দীর মার্কিন রাজনীতিবিদ
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৯শ শতাব্দীর রাষ্ট্রপতি
- রিপাবলিকান পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের) মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী
- মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়, ওহাইওর প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- রিপাবলিকান পার্টির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি