বাংলাদেশে ইসলাম
| মোট জনসংখ্যা | |
|---|---|
| ১৫০,৩৬০,৪০৫ (৯১.০৪% দেশের জনসংখ্যার) | |
| উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার অঞ্চল | |
| সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে | |
| ঢাকা বিভাগ | ৪১,৩০০,০০০ (৯৩.৩৫%) |
| চট্টগ্রাম বিভাগ | ৩০,০০০,০০০ (৯০.১১%) |
| রাজশাহী বিভাগ | ১৯,৫০০,০০০ (৯৩.৬৭%) |
| খুলনা বিভাগ | ১৫,৭০০,০০০ (৮৮.১৮%) |
| রংপুর বিভাগ | ১৫,৬০০,০০০ (৮৬.৪১%) |
| ময়মনসিংহ বিভাগ | ১২,০৭৫,০০০ (৯৫.৫৪%) |
| সিলেট বিভাগ | ৯,৫০০,০০০ (৮৬.১৭%) |
| বরিশাল বিভাগ | ৮,৫০০,০০০ (৯১.৫২%) |
| ধর্ম | |
| প্রধানত সুন্নি ইসলাম পাশাপাশি শিয়া, আহ্মদীয়া, আহলে কুরআন এবং অসাম্প্রদায়িক সংখ্যালঘু | |
| ভাষা | |
| বাংলা | |
| আলিয়া মাদ্রাসা |
|---|
| দেশ অনুযায়ী ইসলাম |
|---|
|
|
ইসলাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের বৃহত্তম ধর্ম এবং রাষ্ট্রধর্ম হলেও বাংলাদেশ মুলত একটি নন সেকুলার হিন্দু ঘরনোর রাষ্ট্র । ১৯৪৭ সালে হিন্দু উগ্রবাদী জমিদার থেকে বাচার জন্য তারা পাকিস্তানে যোগ দিলেও পরে ইসলাম পালনের ইচ্ছা না থাকায় তারা আবার হিন্দু ধর্ম পালনের উদ্দেশ্য নিয়ে হিন্দু হয় যার পোশাকী না বাঙালি। তারা পুরোপুরি কট্টর হিন্দুত্ববাদী এবং মুহাম্মদ বিদ্বেষী বাংলাদেশের বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ এই ধারনা পোষন করে। তারা প্রাক্টিসিং মুসলমানদের মৌলবাদী বলে হত্যা করে। এমনকি বাংলাদেশে গরুর মাংস বিক্রি বন্ধ কিছু কিছু যায়গায়। যদিও তারা নিজেদের ধার্মিক মুসলিম দাবি করে কিন্তু তারা হিন্দু [১][২] ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট ১৬ কোটি ৫০ লক্ষ জনসংখ্যার মধ্যে মুসলিমের সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটি, যা মোট জনসংখ্যার ৯১.০৪%।[৩][৪]
৭ম শতাব্দীর শেষদিকে আরব মুসলিম বণিকেরা প্রধানত চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে বাংলা অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় বাণিজ্যিক ও ধর্মীয় যোগাযোগ স্থাপন করলে বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ইসলামের আগমন ঘটে।[৫] ১৩শ শতাব্দীর শুরুর দিকে মুহাম্মাদ বখতিয়ার খিলজি পশ্চিম ও উত্তর বাংলার কিছু অংশ জয় করে বাংলায় প্রথম মুসলিম রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।[৬] ১৩শ শতাব্দীতে সুফি দাঈ, দরবেশ ও আউলিয়াগণ গ্রামাঞ্চলে ইসলাম প্রচার শুরু করেন।[৭]
মধ্যযুগীয় ইসলামি বিশ্বের পূর্বাঞ্চলে বাংলা অঞ্চল একটি প্রধান শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।[৮] বাংলা সালতানাত জাতিগত ও ভাষাগত ভিত্তির ওপর বাংলাকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং এই সময়ে অঞ্চলটি তার স্বর্ণযুগে পৌঁছায়। পরবর্তীতে, ১৮শ শতাব্দীতে নবাবদের অধীনে মুঘল বাংলা ক্রমশ স্বাধীন হয়ে ওঠে। ব্রিটিশ শাসনামলে মুসলিম জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটে, যার পরিণতিতে ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয়।[৯][১০][১১] ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর, পূর্ব পাকিস্তান পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হয় এবং বর্তমান বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। সাংবিধানিকভাবে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও, ১৯৮৮ সালে ইসলামকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হয়। তবে, বাংলাদেশ কার্যত একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হিসেবেই রয়ে গেছে।[১২][১৩]
বাংলাদেশের মুসলিমরা প্রধানত আদিবাসী বাঙালি মুসলিম। অধিকাংশ বাংলাদেশী সুন্নি এবং তারা হানাফী মাযহাব ও ফিকহ অনুসরণ করেন। সংখ্যালঘু ইসলামি শাখা সমূহের মধ্যে শিয়া ও আহমদীয়া অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশে সুপ্রতিষ্ঠিত সুফি ঐতিহ্যও বিদ্যমান, যা দেশে ইসলামের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ইসলাম বাংলাদেশের সংস্কৃতির একটি প্রধান উপাদান; এটি শিক্ষা, স্থাপত্য, পোশাক, ভাস্কর্য, নাট্যকলা, সঙ্গীত এবং উৎসবসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব বিস্তার করেছে। ইসলামের প্রসারের পাশাপাশি বাংলাদেশী মুসলিমরা দেশীয় উপাদান ও সাংস্কৃতিক রীতিনীতি নিজেদের মাঝে ধারণ ও সমন্বয় করেছে।
দেশের ইসলামি বিষয়াবলি (যেমন: হজ্জ ও যাকাত) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। ব্রিটিশ আমলের আইনি বিধিমালার মাধ্যমে শরিয়া কেবল ব্যক্তিগত বিষয়াবলির (যেমন: বিবাহ ও উত্তরাধিকার) ক্ষেত্রে আইনগতভাবে প্রয়োগ করা হয়।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]ইসলামের মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)|নবী মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জন্মগ্রহণ করেন খ্রিষ্টীয় ৫৭০ সালে। এর মাত্র ৫০ বছর পর ৬২০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে আসে ইসলাম। আর উত্তরের জেলা লালমনিরহাটে শুরু হয় যাত্রা। বিভিন্ন গবেষণা ও প্রাপ্ত শিলালিপি এমন দাবিই জোরালো করেছে। এতে আরও দেখা যায়, ৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে দেশের প্রথম মসজিদটিও নির্মিত হয় এই জেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের ‘মজেদের আড়া’ নামক গ্রামে। এটির নাম সাহাবায়ে কেরাম জামে মসজিদ।[১৪] ১৯৮৭ সালে পঞ্চগ্রামে জঙ্গল খননের সময় প্রাচীন মসজিদের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়। এর একটি ইটে কালেমা তাইয়্যেবা ও ৬৯ হিজরি লেখা রয়েছে। এ থেকে অনুমান করা হয়, মসজিদটি হিজরি ৬৯ অর্থাৎ ৬৯০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে স্থাপন কিংবা সংস্কার করা হয়।
রংপুর জেলার ইতিহাস গ্রন্থ থেকে জানা যায়, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মামা, মা আমেনার চাচাতো ভাই আবু ওয়াক্কাস (রা.) ৬২০ থেকে ৬২৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার করেন (পৃ. ১২৬)। অনেকে অনুমান করেন, পঞ্চগ্রামের মসজিদটিও তিনি নির্মাণ করেন যা ৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে সংস্কার করা হয়।
মতিউর রহমান বসুনিয়া রচিত ‘রংপুরে দ্বীনি দাওয়াত’ গ্রন্থেও এই মসজিদের বিশদ বিবরণ আছে। ‘দেশে ইসলাম প্রচার করেন ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন খিলজী’ এমন একটি ধারণা প্রতিষ্ঠিত থাকলেও এসব তথ্য প্রমাণ করে যে, এর অনেক আগেই এদেশে ইসলাম প্রচারিত হয়। ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন খিলজীর বাংলা বিজয়ের প্রায় ৬০০ বছর আগেই সাহাবীদের দ্বারা বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের আবির্ভাব হয়। প্রথম মসজিদও নির্মিত হয় সেই সময়েই।[১৫]
ঐতিহাসিক মসজিদসমূহ
[সম্পাদনা]- আবু আক্কাস মসজিদ-৬৪৮[১৬][১৭]
- শাহবাজ খান মসজিদ-১৬৭৯
- সোনা মসজিদ-১৪৯৩
- বাঘা মসজিদ-১৫২৩
- নয়াবাদ মসজিদ-১৭৫৫
- খান মোহাম্মদ মৃধা মসজিদ-১৭০৩
- ষাট গম্বুজ মসজিদ-১৫শ শতক
- সাত মসজিদ-১৬৬৯
- লালবাগ কেল্লা-১৬৬৪
হযরত শাফাই শাহ আউলিয়া (রহঃ) কিশোরগঞ্জ জেলা বাজিতপুর উপজেলা পিরিজপুর ইউনিয়ন সুলতান পুর গ্রাম,১৩০৩/৭০৩ হিজরী
সূফীতত্ত্বের ভূমিকা
[সম্পাদনা]১৩ শতকের শুরুতে,মুঘলদের বাংলা বিজয় উত্তর ভারতের ঘটে ১১৯২ সালে । প্রধানত মহম্মদ ঘোরী এর অভিযানের পরিণাম হিসাবে জায়গা নেয়। সৈয়দ শাহ নাসিরুদ্দিন ইরাকের ছিলেন কিন্তু ইসলাম ছড়াতে বাংলাদেশ এসেছিলেন।
মতবাদ ও মাজহাব
[সম্পাদনা]বাংলাদেশের বেশির ভাগ মুসলমান সুন্নি। তারা বেশির ভাগই হানাফি মাযহাব এর অনুসারী। এ দলে দেওবন্দী, বেরলভী এবং জৌনপুরী মসলক অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও কিছু আহলে হাদিস বা সালাফি মতবাদের অনুসারী রয়েছে। বিশ্ব ইজতেমা বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে ৫ মিলিয়ন মানুষ আকৃষ্ট, এবাদত এবং জিকির উপর গুরুত্ত্ব দেয়, যা তাবলিগ জামাত দ্বারা সালানা অনুষ্ঠিত একটি জলসা।
জেলা অনুযায়ী মুসলমান জনসংখ্যা
[সম্পাদনা]
| জেলা | মুসলিম জনসংখ্যা | মোট জনসংখ্যা | শতকরা হার (%) |
|---|---|---|---|
| বরগুনা জেলা | ৯,৩৭,৫৪৫ | ১০,১০,৫৩১ | ৯২.৭৮% |
| বরিশাল জেলা | ২২,৮৩,৭২৮ | ২৫,৭০,৪৪৬ | ৮৮.৮৫% |
| ভোলা জেলা | ১৮,৭৬,৭৫৮ | ১৯,৩২,৫১৮ | ৯৭.১১% |
| ঝালকাঠি জেলা | ৫,৯৯,৬২২ | ৬,৬১,১৬০ | ৯০.৬৯% |
| পটুয়াখালী জেলা | ১৬,১৭,১৫৫ | ১৭,২৭,২৫৪ | ৯৩.৬৩% |
| পিরোজপুর জেলা | ১০,১৭,০২৪ | ১১,৯৮,১৯৫ | ৮৪.৮৮% |
| বান্দরবান জেলা | ২,৫৩,৭৫৬ | ৪,৮১,১০৬ | ৫২.৭৪% |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা | ৩০,৮৪,৬৪২ | ৩৩,০৬,৫৬৩ | ৯৩.২৯% |
| চাঁদপুর জেলা | ২৪,৮৮,৪৩৫ | ২৬,৩৫,৭৪৮ | ৯৪.৪১% |
| চট্টগ্রাম জেলা | ৮০,২৬,১০২ | ৯১,৬৯,৪৬৫ | ৮৭.৫৩% |
| কুমিল্লা জেলা | ৫৯,৩৬,৩৯১ | ৬২,১২,২১৬ | ৯৫.৫৬% |
| কক্সবাজার জেলা | ২৬,৬৯,৯৭৭ | ২৮,২৩,২৬৮ | ৯৪.৫৭% |
| ফেনী জেলা | ১৫,৫৬,৬৯৫ | ১৬,৪৮,৮৯৬ | ৯৪.৪১% |
| খাগড়াছড়ি জেলা | ৩,৩২,৬৮৭ | ৭,১৪,১১৯ | ৪৬.৫৯% |
| লক্ষ্মীপুর জেলা | ১৮,৭৫,৭৯০ | ১৯,৩৭,৯৪৮ | ৯৬.৭৯% |
| নোয়াখালী জেলা | ৩৪,৭৬,৪৫৭ | ৩৬,২৫,৪৪২ | ৯৫.৮৯% |
| রাঙামাটি জেলা | ২,৩৪,৮৩৪ | ৬,৪৭,৫৮৬ | ৩৬.২৬% |
| ঢাকা জেলা | ১,৩৯,৮০,৯৫৩ | ১,৪৭,৩৪,৭০১ | ৯৪.৮৮% |
| ফরিদপুর জেলা | ১৯,৭৯,০১১ | ২১,৬২,৮৭৯ | ৯১.৫০% |
| গাজীপুর জেলা | ৪৯,৭১,৫৪৩ | ৫২,৬৩,৪৫০ | ৯৪.৪৫% |
| গোপালগঞ্জ জেলা | ৯,৩৩,৭০৮ | ১২,৯৫,০৫৭ | ৭২.১০% |
| কিশোরগঞ্জ জেলা | ৩১,০৮,৪৩২ | ৩২,৬৭,৬২৬ | ৯৫.১৩% |
| মাদারীপুর জেলা | ১১,৪৬,৬৭৮ | ১২,৯৩,০২৭ | ৮৮.৬৮% |
| মানিকগঞ্জ জেলা | ১৪,১৮,৩৫৩ | ১৫,৫৮,০২৫ | ৯১.০৪% |
| মুন্সীগঞ্জ জেলা | ১৫,০০,৯৮৪ | ১৬,২৫,৪১৬ | ৯২.৩৪% |
| নারায়ণগঞ্জ জেলা | ৩৭,২২,১২৫ | ৩৯,০৯,১৩৮ | ৯৫.২২% |
| নরসিংদী জেলা | ২৪,৪৩,২১০ | ২২,২৪,৯৪৪ | ৯৪.৫৩% |
| রাজবাড়ী জেলা | ১০,৭৮,৬৭৭ | ১১,৮৯,৮১৮ | ৯০.৬৬% |
| শরীয়তপুর জেলা | ১২,৫১,৫২১ | ১২,৯৪,৫৬২ | ৯৬.৮৮% |
| টাঙ্গাইল জেলা | ৩৭,৬২,৮২২ | ৪০,৩৭,৬০৮ | ৯৩.২০% |
| বাগেরহাট জেলা | ১৩,৪২,৮৩৬ | ১৬,১৩,০৭৬ | ৮৩.২৫% |
| চুয়াডাঙ্গা জেলা | ১২,০৪,৬১৭ | ১২,৩৪,০৫৪ | ৯৭.৬১% |
| যশোর জেলা | ২৭,৫৬,৭২৯ | ৩০,৭৬,১৪৪ | ৮৯.৬২% |
| ঝিনাইদহ জেলা | ১৮,৩৬,২৭৩ | ২০,০৫,৮৪৯ | ৯১.৫৫% |
| খুলনা জেলা | ২০,৫৫,৯০২ | ২৬,১৩,৩৮৫ | ৭৮.৬৭% |
| কুষ্টিয়া জেলা | ২০,৯০,৬২২ | ২১,৪৯,৬৯২ | ৯৭.২৫% |
| মাগুরা জেলা | ৮,৭০,৪৮২ | ১০,৩৩,১১৫ | ৮৪.২৬% |
| মেহেরপুর জেলা | ৬,৯০,৩৪৯ | ৭,০৫,৩৫৬ | ৯৭.৮৭% |
| নড়াইল জেলা | ৬,৬৩,৯৬১ | ৭,৮৮,৬৭১ | ৮৪.১৯% |
| সাতক্ষীরা জেলা | ১৮,৫১,৫১৬ | ২১,৯৬,৫৮২ | ৮৪.২৯% |
| জামালপুর জেলা | ২৪,৫৮,৭১৪ | ২৪,৯৯,৭৩৮ | ৯৮.৩৬% |
| ময়মনসিংহ জেলা | ৫৬,৬৫,৬৪৯ | ৫৮,৯৯,০০৫ | ৯৬.০৪% |
| নেত্রকোণা জেলা | ২১,০৩,০৯১ | ২৩,২৪,৮৫৩ | ৯০.৪৬% |
| শেরপুর জেলা | ১৪,৫৬,০৮৭ | ১৫,০১,৮৫৩ | ৯৬.৯৫% |
| বগুড়া জেলা | ৩৫,১৬,১৫৭ | ৩৭,৩৪,২৯৭ | ৯৪.১৬% |
| চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা | ১৭,৫৩,৯৯৩ | ১৮,৩৫,৫২৮ | ৯৫.৫৬% |
| জয়পুরহাট জেলা | ৮,৫৯,৯৬০ | ৯,৫৬,৪৩১ | ৮৯.৯১% |
| নওগাঁ জেলা | ২৪,১৯,২৩৬ | ২৭,৮৪,৫৯৯ | ৮৬.৮৮% |
| নাটোর জেলা | ১৭,৪৪,২৭৪ | ১৮,৫৯,৯২২ | ৯৩.৭৮% |
| পাবনা জেলা | ২৮,২৮,৩৮১ | ২৯,০৯,৬২৪ | ৯৭.২১% |
| রাজশাহী জেলা | ২৭,৪০,১৮০ | ২৯,১৫,০০৯ | ৯৪.০০% |
| সিরাজগঞ্জ জেলা | ৩২,১০,১১৬ | ৩৩,৫৭,৭০৬ | ৯৫.৬১% |
| দিনাজপুর জেলা | ২৬,০৫,৭৮১ | ৩৩,১৫,২৩৬ | ৭৮.৬০% |
| গাইবান্ধা জেলা | ২৩,৮০,১২৮ | ২৫,৬২,২৩৩ | ৯২.৮৯% |
| কুড়িগ্রাম জেলা | ২১,৮৫,২৪৮ | ২৩,২৯,১৬০ | ৯৩.৮২% |
| লালমনিরহাট জেলা | ১২,৪২,৩৮৮ | ১৪,২৮,৪০৬ | ৮৬.৯৮% |
| নীলফামারী জেলা | ১৭,৬৩,৭৫১ | ২০,৯২,৫৬৮ | ৮৪.২৯% |
| পঞ্চগড় জেলা | ৯,৯১,৭৬৪ | ১১,৭৯,৮৪৩ | ৮৪.০৬% |
| রংপুর জেলা | ২৮,৭২,৯৫৩ | ৩১,৬৯,৬১৪ | ৯০.৬৪% |
| ঠাকুরগাঁও জেলা | ১১,৮১,৭৭৪ | ১৫,৩৩,৮৯৫ | ৭৭.০৪% |
| হবিগঞ্জ জেলা | ১৯,৮১,০৮৯ | ২৩,৫৮,৮৮৬ | ৮৩.৯৮% |
| মৌলভীবাজার জেলা | ১৫,৮৫,২৩৫ | ২১,২৩,৪৪৭ | ৭৪.৬৫% |
| সুনামগঞ্জ জেলা | ২৩,৭৭,৩৪৯ | ২৬,৯৫,৪৯৬ | ৮৮.২০% |
| সিলেট জেলা | ৩৫,৭০,৪০০ | ৩৮,৫৭,১২৩ | ৯২.৫৭% |
ধর্মীয় স্বাধীনতা
[সম্পাদনা]বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা আছে। তারা তাদের মত করে ধর্ম পালন করতে পারবে। প্রজাতন্ত্রের সংবিধান, সকল ধর্মীয় বৈষম্যকে অবৈধ ঘোষণা করেছে।
ইসলামী রাজনীতি
[সম্পাদনা]
১৯৭১ এর পরে, সরকার মানুষের ধর্মীয় জীবনের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তার ভূমিকা বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে. ধর্ম বিষয়ক, সমর্থন এবং মসজিদ এবং প্রার্থনা প্রতিনিধি সমাজ সহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, আর্থিক সহায়তা মন্ত্রণালয়. মক্কা থেকে বার্ষিক তীর্থযাত্রা আয়োজন কারণ সৌদি আরব এবং বাংলাদেশ সরকার এর নিয়ন্ত্রণমূলক বিদেশী বিনিময় নিয়ম সরকার হাজীদের সংখ্যার উপর বিধিনিষেধ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে আসে. এ মন্ত্রণালয়ের সংগঠন এবং ইসলামী বিষয়ের উপর গবেষণা ও প্রকাশনা সমর্থনের জন্য দায়িত্বশীলযা বাংলাদেশের ইসলামী ফাউন্ডেশন, কাজের কাজগুলোও. এসোসিয়েশন বায়তুল মোকাররম (জাতীয় মসজিদ) এবং সংগঠন ও ইমাম প্রশিক্ষণ বজায় রাখার জন্য দায়ী. প্রায় ১৮,০০০ ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, লাইব্রেরি, একটি জাতীয় নেটওয়ার্ক তৈরি করার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে. ইসলামিক ফাউন্ডেশন পৃষ্ঠপোষকতা অধীন দেরি আটের দশকের মধ্যে বাংলা ইসলাম এনসাইক্লোপিডিয়া রচনা করা হয়েছে.
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ বার্গম্যান, ডেভিড (২৮ মার্চ ২০১৬)। "Bangladesh court upholds Islam as religion of the state" [বাংলাদেশের আদালত ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে বহাল রেখেছে]। আল জাজিরা।
- ↑ "Bangladesh dismisses case to drop Islam as state religion" [ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম থেকে বাদ দেওয়ার মামলা খারিজ করেছে বাংলাদেশ]। রয়টার্স। ২৮ মার্চ ২০১৬।
- ↑ "Census 2022: Number of Muslims increased in country" [জনশুমারি ২০২২: দেশে মুসলিমের সংখ্যা বেড়েছে]। ঢাকা ট্রিবিউন। ২৭ জুলাই ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০২২।
- ↑ "Census 2022: Bangladesh population now 165 million" [জনশুমারি ২০২২: বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৫০ লক্ষ]। ঢাকা ট্রিবিউন। ২৭ জুলাই ২০২২।
- ↑ রাজ কুমার (২০০৩)। Essays on Ancient India [প্রাচীন ভারতের প্রবন্ধ]। ডিসকভারি পাবলিশিং হাউস। পৃ. ১৯৯। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭১৪১-৬৮২-০।
- ↑ মজুমদার, আর. সি. (১৯৭৩)। History of Mediaeval Bengal [মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাস]। কলকাতা: জি. ভরদ্বাজ অ্যান্ড কোং। পৃ. ১–২। ওসিএলসি 1031074।
প্রথাগতভাবে তাকে বাংলা বিজয়ের কৃতিত্ব দেওয়া হলেও বাস্তবে তিনি বাংলার বৃহত্তর অংশ করায়ত্ত করতে পারেননি ... বখতিয়ার ন্যায্যভাবে কেবল এটুকুর কৃতিত্ব নিতে পারেন যে, পশ্চিম ও উত্তর বাংলার একাংশ জয়ের মাধ্যমে তিনি বাংলায় মুসলিম রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। ১৩শ শতাব্দীর ইতিহাসবিদরা কখনোই সমগ্র বাংলা বিজয়ের কৃতিত্ব বখতিয়ারকে দেননি।
- ↑ "Bangladesh - Islam in Bangladesh" [বাংলাদেশ - বাংলাদেশে ইসলাম]। countrystudies.us। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০২৪।
- ↑ Epigraphy and Islamic Culture: Inscriptions of the Early Muslim Rulers of Bengal [লিপিবিদ্যা ও ইসলামি সংস্কৃতি: বাংলার প্রারম্ভিক মুসলিম শাসকদের শিলালিপি]। রাউটলেজ। ১৯ নভেম্বর ২০১৫। পৃ. ৩০। আইএসবিএন ৯৭৮১৩১৭৫৮৭৪৬০।
- ↑ ট্রাভার্স, টি. আর. (জুলাই ২০০৪)। "'The Real Value of the Lands': The Nawabs, the British and the Land Tax in Eighteenth-Century Bengal" ['ভূমির প্রকৃত মূল্য': অষ্টাদশ শতাব্দীর বাংলায় নবাব, ব্রিটিশ ও ভূমি কর]। মডার্ন এশিয়ান স্টাডিজ (ইংরেজি ভাষায়)। ৩৮ (৩): ৫১৭–৫৫৮। ডিওআই:10.1017/S0026749X03001148।
- ↑ আলোনি, হিতেশ। "Bengal And Awadh In The 18th Century" [১৮শ শতাব্দীতে বাংলা ও অযোধ্যা]। upscwithnikhil.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০২৪।
- ↑ Transitions – History and Civics – 8 [ট্রানজিশনস – ইতিহাস ও পৌরনীতি – ৮]। বিকাশ পাবলিশিং হাউস। আইএসবিএন ৯৭৮৯৩২৫৯৯৩৯৬৯।
- ↑ "The Constitution of the People's Republic of Bangladesh" [গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান]। বাংলাদেশের আইন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "Statistics Bangladesh 2006" [বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ২০০৬] (পিডিএফ)। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। ২১ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০০৮।
- ↑ এশিয়ার প্রথম মসজিদ সাহাবায়ে কেরাম, যায় যায় দিন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
- ↑ "দেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে"। Bangladesh Today। ১৪ জানুয়ারি ২০১৯। ১১ মে ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৯।
- ↑ Mahmood, Kajal Iftikhar Rashid (১৯ অক্টোবর ২০১২)। "সাড়ে তেরো শ বছর আগের মসজিদ" [1350 Year-old Mosque]। দৈনিক প্রথম আলো। ৬ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০১৮।
- ↑ "History and archaeology: Bangladesh's most undervalued assets?"। deutschenews24.de। ২১ ডিসেম্বর ২০১২। ১৫ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০১৮।
- ↑ "Chapter 1: Religious Affiliation"। The World's Muslims: Unity and Diversity। Pew Research Center's Religion & Public Life Project। ৯ আগস্ট ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩।
- ↑ https://bbs.portal.gov.bd/site/page/b432a7e5-8b4d-4dac-a76c-a9be4e85828c
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ইটন, রিচার্ড এম. (১৯৯৩)। The Rise of Islam and the Bengal Frontier, 1204-1760 [ইসলামের উত্থান ও বাংলার সীমান্ত, ১২০৪-১৭৬০]। বার্কলি: ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া প্রেস। আইএসবিএন ০-৫২০-২০৫০৭-৩।
- ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর, সম্পাদকগণ (২০১২)। "Islam, Bengal"। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (দ্বিতীয় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১। ওসিএলসি 883871743। ওএল 30677644M।
- বাংলাদেশে উন্নয়ন সহযোগিতা ও ইসলামি মূল্যবোধ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর বাংলাদেশ