বিষয়বস্তুতে চলুন

খুনে তিমি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

খুনে তিমি[১]
অর্কা
সময়গত পরিসীমা: প্লিওসিন থেকে বর্তমান
দুটি খুনে তিমি সমুদ্রপৃষ্ঠের উপরে লাফিয়ে উঠেছে, যেখানে তাদের কালো, সাদা ও ধূসর বর্ণ দেখা যাচ্ছে। কাছের তিমিটি সোজাভাবে পাশ থেকে দৃশ্যমান, অন্যটি পেছনের দিকে বাঁকিয়ে তার নিচের অংশ প্রদর্শন করছে।
ইউনিম্যাক দ্বীপের কাছে দুটি ক্ষণস্থায়ী অর্কা, পূর্ব অ্যালিউশিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, আলাস্কা
একটি ছবিতে ৫.৪-মিটার (১৭-ফুট-৯-ইঞ্চি) দৈর্ঘ্যের স্ত্রী খুনে তিমিকে ১.৮-মিটার (৫-ফুট-১১-ইঞ্চি) উচ্চতার মানব স্কুবা ডাইভারের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
৫.৪-মিটার (১৭-ফুট-৯-ইঞ্চি) দৈর্ঘ্যের স্ত্রী খুনে তিমির সাথে ১.৮-মিটার (৫-ফুট-১১-ইঞ্চি) উচ্চতার মানব স্কুবা ডাইভারের তুলনা
সিআইটিইএস অ্যাপেন্ডিক্স II (CITES)[৩]
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস সম্পাদনা করুন
জগৎ/রাজ্য: অ্যানিম্যালিয়া (Animalia)
পর্ব: কর্ডাটা (Chordata)
শ্রেণি: ম্যামালিয়া (Mammalia)
বর্গ: আর্টিওড্যাকটিলা (Artiodactyla)
অধিবর্গ: Cetacea
পরিবার: Delphinidae
গণ: Orcinus
(লিনেয়াস, ১৭৫৮)[৪]
প্রজাতি: O. orca
দ্বিপদী নাম
Orcinus orca
(লিনেয়াস, ১৭৫৮)[৫]
উপপ্রজাতি
  • সাধারণ অর্কা (O. o. orca)
  • বাসিন্দা অর্কা (O. o. ater)
  • ক্ষণস্থায়ী (বিগ্‌স) অর্কা (O. o. rectipinnus)
একটি বিশ্ব মানচিত্রে দেখা যাচ্ছে যে খুনে তিমি পৃথিবীর প্রায় সব মহাসাগরেই পাওয়া যায়, তবে সুমেরুর কিছু অংশে নয়। এছাড়া কৃষ্ণ সাগর ও বাল্টিক সাগরেও এদের দেখা যায় না।
      বিশ্বে খুনে তিমির বিস্তৃতি
প্রতিশব্দ
  • Delphinus orca Linnaeus, 1758
  • Delphinus gladiator Bonnaterre, 1789
  • Orca gladiator (Bonnaterre, 1789)

খুনে তিমি (ইংরেজি: Killer whale) বা অর্কা (দ্বিপদ নাম: Orcinus orca) হল একটি দাঁতালো তিমি এবং মহাসাগরীয় শুশুক পরিবারের বৃহত্তম সদস্য। অর্কিনুস গণের একমাত্র বর্তমান জীবিত প্রজাতি হিসেবে এটি তার স্বতন্ত্র বর্ণবিন্যাসের জন্য সহজেই চেনা যায়; শরীরের উপরের অংশ প্রধানত কালো, নিচের অংশ সাদা এবং চোখের কাছে সুস্পষ্ট সাদা দাগ থাকে। একটি সর্বব্যাপী বিস্তৃত প্রজাতি হিসেবে এটি সুমেরু থেকে কুমেরু অঞ্চল এবং উষ্ণমণ্ডলীয় সাগর পর্যন্ত বিভিন্ন সামুদ্রিক পরিবেশে বাস করে, যদিও সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ বা অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা উপকূলীয় জলে এদের বেশি দেখা যায়। বিজ্ঞানীরা বৈশ্বিক অর্কা জনসংখ্যাকে বিভিন্ন বর্ণ, উপপ্রজাতি বা এমনকি সম্ভাব্য প্রজাতিতে বিভক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

অর্কারা শীর্ষ শিকারী এবং এদের খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। বিভিন্ন জনসংখ্যা প্রায়ই নির্দিষ্ট ধরনের শিকারে বিশেষায়িত হয়, যার মধ্যে রয়েছে কঠিনাস্থি মাছ, হাঙর, শঙ্কর মাছ এবং সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী যেমন সীল, শুশুক ও তিমি। এরা অত্যন্ত সামাজিক প্রাণী; কিছু জনসংখ্যা স্থায়ী মাতৃসূত্রীয় পারিবারিক গোষ্ঠী (ঝাঁক) গঠন করে। তাদের উন্নত শিকার কৌশল ও স্বরভিত্তিক আচরণ, যা প্রায়ই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য স্বতন্ত্র এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়, প্রাণীসংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হয়। সবচেয়ে বেশি গবেষণা করা জনসংখ্যাগুলো উত্তর আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে বাস করে, যাদের মধ্যে মাছভোজী “বাসিন্দা”, স্তন্যপায়ীভোজী “ক্ষণস্থায়ী” এবং “সমুদ্রতীরাতিক্রান্ত” গোষ্ঠী অন্তর্ভুক্ত।

প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক সংঘ (আইইউসিএন) খুনে তিমির সংরক্ষণাবস্থাকে উপাত্তগতভাবে অপ্রতুল হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে, কারণ অর্কার বিভিন্ন প্রকার আলাদা প্রজাতি হতে পারে। কিছু স্থানীয় অর্কা জনসংখ্যা শিকারের স্বল্পতা, বাসস্থান ধ্বংস, দূষণ (পিসিবি দ্বারা), মেরিন পার্কে প্রদর্শনের জন্য ধরে নিয়ে যাওয়া, এবং মৎস্যশিল্পের সঙ্গে সংঘাতের কারণে বিপদগ্রস্ত বা বিপন্ন হয়ে পড়েছে। ২০০৫ সালের শেষ দিকে দক্ষিণাঞ্চলীয় বাসিন্দা খুনে তিমিদের যুক্তরাষ্ট্রের বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলোর কাছে খুনে তিমি দীর্ঘদিন ধরে সম্মানিত প্রাণী হিসেবে বিবেচিত হলেও পাশ্চাত্য সংস্কৃতিতে ঐতিহাসিকভাবে এদের ভয়ের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছে। বড় তিমি প্রজাতির সংখ্যা কমে গেলে তিমি শিকারীরা অর্কাও শিকার করত। ১৯৬০-এর দশকে জনসাধারণ ও বিজ্ঞানীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বন্দিদশায় এদের প্রদর্শনের কারণে অরকার ভাবমূর্তি ইতিবাচকভাবে পরিবর্তিত হতে শুরু করে। এরপর থেকে অর্কাদের সামুদ্রিক পার্কে প্রদর্শনের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যদিও এই প্রথাকে অনৈতিক বলে সমালোচনা করা হয়েছে। খুনে তিমি খুব কম ক্ষেত্রেই মানুষের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এবং বন্য পরিবেশে মানুষের ওপর কোনো প্রাণঘাতী আক্রমণের ঘটনা নথিভুক্ত হয়নি। তবে বন্দী অর্কারা সামুদ্রিক থিম পার্কে তাদের প্রশিক্ষকদের আহত বা নিহত করেছে এমন ঘটনা দেখা গেছে।

বৈশিষ্ট্য

[সম্পাদনা]
একটি সাধারণ স্ত্রী অর্কার বাহ্যিক গঠনের বিভিন্ন কোণ থেকে দৃশ্য

অর্কা হল ডলফিন পরিবারের বৃহত্তম বর্তমান জীবিত সদস্য। পুরুষ অরকার দৈর্ঘ্য সাধারণত ৬ থেকে ৮ মিটার (২০ থেকে ২৬ ফুট) হয় এবং ওজন ৬ টন (৫.৯ লং টন; ৬.৬ short ton)-এরও বেশি হয়। স্ত্রী অর্কা তুলনামূলকভাবে ছোট; এদের দৈর্ঘ্য সাধারণত ৫ থেকে ৭ মিটার (১৬ থেকে ২৩ ফুট) এবং ওজন প্রায় ৩ থেকে ৪ টন (৩.০ থেকে ৩.৯ লং টন; ৩.৩ থেকে ৪.৪ short ton)।[৬] তবে অর্কা আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে; পুরুষ অরকার দৈর্ঘ্য ১০ মিটার (৩৩ ফুট) এবং স্ত্রী অর্কার দৈর্ঘ্য ৮.৫ মিটার (২৮ ফুট) পর্যন্ত নথিভুক্ত হয়েছে।[৭][৮] বড় আকারের পুরুষ অর্কার ওজন ১০ টন (৯.৮ লং টন; ১১ short ton)-এরও বেশি হতে পারে, আর বড় স্ত্রী অর্কার ওজন ৭.৫ টন (৭.৪ লং টন; ৮.৩ short ton)-এরও বেশি হতে পারে।[৯][১০][১১] জন্মের সময় অর্কা শাবকের ওজন প্রায় ১৮০ কিলোগ্রাম (৪০০ পাউন্ড) এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ২.৪ মিটার (৭ ফুট ১০ ইঞ্চি) হয়।[১২][১৩] অর্কার কঙ্কাল গঠন মহাসাগরীয় শুশুকদের মতো হলেও তুলনামূলকভাবে অধিক শক্তপোক্ত।[৭]

স্বতন্ত্র বর্ণবিন্যাসের কারণে[৭] পূর্ণবয়স্ক অর্কাকে অন্য কোনো প্রজাতির সঙ্গে খুব কমই গুলিয়ে ফেলা হয়।[১৪] তবে দূর থেকে দেখলে কিশোর অরকাকে মেকি খুনে তিমি বা রিসোর শুশুক বলে ভুল হতে পারে।[১৫] অর্কার শরীর প্রধানত কালো, তবে তীক্ষ্ণ সীমানাযুক্ত সাদা অংশও থাকে। পুরো নিম্ন চোয়াল সাদা এবং সেখান থেকে রং শরীরের নিচের অংশ ধরে যৌনাঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়; কোথাও সরু, কোথাও প্রশস্ত হয়ে শরীরের পাশের অংশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। লেজের পাখনাও নিচের দিকে সাদা, আর চোখের পেছনে ও উপরে ডিম্বাকার সাদা দাগ থাকে। পৃষ্ঠীয় পাখনার পেছনে ও পিঠ জুড়ে ধূসর বা সাদা “স্যাডল প্যাচ” দেখা যায়।[৭][১৬] পুরুষ ও স্ত্রী অর্কার যৌনাঙ্গের চারপাশে কালো-সাদা চামড়ার নকশাতেও পার্থক্য দেখা যায়।[১৭] নবজাতক অর্কার সাদা অংশগুলো হলুদ বা কমলা রঙের হয়।[৭][১৬] অন্তার্ক্তিক অর্কার পিঠ হালকা ধূসর থেকে প্রায় সাদা পর্যন্ত হতে পারে।[১৪] কিছু অ্যান্টার্কটিক অর্কা পানিতে থাকা ডায়াটমের কারণে বাদামি ও হলুদাভ দেখায়।[১৮] অ্যালবিনো এবং মেলানিস্টিক উভয় ধরনের অর্কার অস্তিত্বও নথিভুক্ত হয়েছে।[৭]

পূর্ণবয়স্ক পুরুষ অরকার বক্ষপাখনা, পৃষ্ঠীয় পাখনা ও লেজপাখনা স্ত্রীদের তুলনায় বড় হয়। ছবিতে তাদের যৌন দ্বিরূপতা দেখানো হয়েছে।

অরকার বক্ষপাখনা বড় ও গোলাকার, যা দাঁড়ের মতো দেখতে; পুরুষদের বক্ষপাখনা স্ত্রীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বড়। পৃষ্ঠীয় পাখনাতেও যৌন দ্বিরূপতা দেখা যায়; পুরুষের পৃষ্ঠীয় পাখনার উচ্চতা প্রায় ১.৮ মিটার (৫ ফুট ১১ ইঞ্চি), যা স্ত্রী অর্কার পাখনার দ্বিগুণেরও বেশি। পুরুষের পাখনা লম্বাটে সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের মতো, আর স্ত্রীরটি অপেক্ষাকৃত বেশি বাঁকানো।[১৯][২০] খুলির গঠনে পূর্ণবয়স্ক পুরুষ অর্কার নিম্ন চোয়াল স্ত্রীদের তুলনায় দীর্ঘতর এবং অক্সিপিটাল ক্রেস্টও বড়।[২১] মুখের সামনের অংশ ভোঁতা এবং অন্যান্য অনেক প্রজাতির মতো ঠোঁটসদৃশ অংশ নেই।[৭] অর্কার দাঁত অত্যন্ত শক্তিশালী এবং চোয়াল খুব দৃঢ়ভাবে কামড় দিতে সক্ষম। মুখ বন্ধ থাকলে উপরের দাঁত নিচের দাঁতের ফাঁকে ঢুকে যায়। মাঝের ও পেছনের দাঁত শিকারকে দৃঢ়ভাবে ধরে রাখে, আর সামনের দাঁত সামান্য সামনের ও বাইরের দিকে হেলে থাকে, যা শক্তিশালী ঝাঁকুনি থেকে দাঁতকে সুরক্ষা দেয়।[৮]

অর্কার পানির উপরে ও নিচে উভয় অবস্থাতেই দৃষ্টিশক্তি ভালো, শ্রবণশক্তি অত্যন্ত উন্নত এবং স্পর্শ অনুভূতিও ভালো। এদের প্রতিধ্বনিমূলক স্থিতিনির্ণয় ক্ষমতা অত্যন্ত উন্নত; টিকটিকধ্বনি নির্গত করে এবং প্রতিধ্বনি শুনে পানির ভেতরে শিকার ও অন্যান্য বস্তুর অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করতে পারে,[২২] যেমনটি শুশুক পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও করে। অরকার গড় দেহতাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৯৭ থেকে ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট)।[২৩][২৪] অধিকাংশ সামুদ্রিক স্তন্যপায়ীর মতো অর্কার ত্বকের নিচে ৭.৬ থেকে ১০ সেন্টিমিটার (৩.০ থেকে ৩.৯ ইঞ্চি) পুরু চর্বির স্তর থাকে, যা তাপ নিরোধক হিসেবে কাজ করে।[২৩] পানির উপরে থাকলে অর্কার হৃদস্পন্দন প্রতি মিনিটে প্রায় ৬০ বার হয়, আর পানির নিচে ডুবে থাকলে তা প্রতি মিনিটে প্রায় ৩০ বারে নেমে আসে।[২৫]

একটি নির্দিষ্ট অর্কাকে প্রায়ই তার পৃষ্ঠীয় পাখনা ও স্যাডল প্যাচ দেখে শনাক্ত করা যায়। পৃষ্ঠীয় পাখনার কাটাছেঁড়া, আঁচড় বা ছিঁড়ে যাওয়া অংশ এবং স্যাডল প্যাচের সাদা বা ধূসর নকশা প্রতিটি অর্কার জন্য স্বতন্ত্র। উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের শত শত অর্কার পরিচয়সূচক ছবি ও নামসহ প্রকাশিত নির্দেশিকা রয়েছে। আলোকচিত্রভিত্তিক শনাক্তকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে স্থানীয় অর্কা জনসংখ্যা প্রতি বছর অনুমানের বদলে সরাসরি গণনা করা সম্ভব হয়েছে এবং এর ফলে তাদের জীবনচক্র ও সামাজিক কাঠামো সম্পর্কে গভীর ধারণা পাওয়া গেছে।[২৬]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]

পাদটীকা

[সম্পাদনা]

সূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ টেমপ্লেট:MSW3 Cetacea
  2. ↑ Reeves, R.; Pitman, R. L.; Ford, J. K. B. (২০১৭)। "Orcinus orca"। বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৭ e.T15421A50368125। আইইউসিএন। ডিওআই:10.2305/IUCN.UK.2017-3.RLTS.T15421A50368125.en। সংগ্রহের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০২১।
  3. ↑ "Appendices | CITES"। cites.org। ৫ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জানুয়ারি ২০২২।
  4. ↑ "Orcinus orca (Linnaeus, 1758)"। ইন্টিগ্রেটেড ট্যাক্সোনোমিক ইনফরমেশন সিস্টেম।
  5. ↑ "Orcinus orca (Linnaeus, 1758)"। ইন্টিগ্রেটেড ট্যাক্সোনোমিক ইনফরমেশন সিস্টেম।
  6. ↑ Baird 2002, পৃ. 129।
  7. 1 2 3 4 5 6 7 Heyning, John E.; Dahlheim, Marilyn E. (১৫ জানুয়ারি ১৯৮৮)। "Orcinus orca"। Mammalian Species (304): ১–৯। বিবকোড:1988MamSp.304....1H। ডিওআই:10.2307/3504225। জেস্টোর 3504225।
  8. 1 2 Heptner এবং অন্যান্য 1996, পৃ. 683।
  9. ↑ "Killer Whale (Orcinus orca)" (পিডিএফ)। Sea Watch Foundation। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২৫।
  10. ↑ Webber, Marc A.; Jefferson, Thomas Allen; Pitman, Robert L. (২৮ জুলাই ২০১৫)। Marine Mammals of the World: A Comprehensive Guide to Their Identification (ইংরেজি ভাষায়)। Academic Press। পৃ. ১৮৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১২-৪০৯৫৯২-২।
  11. ↑ Anderson, Robert; Waayers, Robyn; Knight, Andrew (আগস্ট ২০১৬)। "Orca Behavior and Subsequent Aggression Associated with Oceanarium Confinement"। Animals। ৬ (8): ৪৯। ডিওআই:10.3390/ani6080049। পিএমসি 4997274। পিএমআইডি 27548232।
  12. ↑ Olsen, Ken (২০০৬)। "Orcas on the edge"। National Wildlife। খণ্ড ৪৪ নং 6। পৃ. ২২–৩০। আইএসএসএন 0028-0402।
  13. ↑ Stewart, Doug (২০০১)। "Tales of two orcas"। National Wildlife। খণ্ড ৩৯ নং 1। পৃ. ৫৪–৫৯। আইএসএসএন 0028-0402।
  14. 1 2 Carwardine 2001, পৃ. 20।
  15. ↑ "Wild Whales"। Vancouver Aquarium। ৫ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১২।
  16. 1 2 Ford, John K. B. (২০০৯)। "Killer Whale"। Perrin, William F.; Wursig, Bernd; Thewissen, J. G. M. 'Hans' (সম্পাদকগণ)। Encyclopedia of Marine Mammals। Academic Press। পৃ. ৫৫০–৫৫৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-০৮-০৯১৯৯৩-৫।
  17. ↑ Ford, Ellis এবং Balcomb 2000, পৃ. 45।
  18. ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "Pitman2003" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  19. ↑ Orca (Killer whale). American Cetacean Society. Retrieved January 2, 2009
  20. ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "Springer" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  21. ↑ Heptner এবং অন্যান্য 1996, পৃ. 681।
  22. ↑ Carwardine 2001, পৃ. 30–32।
  23. 1 2 "Killer Whales — Adaptations for an Aquatic Environment"। Seaworld.org। ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩।
  24. ↑ N. W. Kasting, S. A. L. Adderly, T. Safford, K. G. Hewlett (1989). "Thermoregulation in Beluga (Delphinapterus luecas) and Killer (Orcinus orca) Whales"
  25. ↑ Spencer, M. P.; Gornall 3rd, T. A.; Poulter, T. C. (১৯৬৭)। "Respiratory and cardiac activity of killer whales"। Journal of Applied Physiology। ২২ (5): ৯৭৪–৯৮১। বিবকোড:1967JAPh...22..974S। ডিওআই:10.1152/jappl.1967.22.5.974। পিএমআইডি 6025756।
  26. ↑ Obee ও Ellis 1992, পৃ. 1–27।

উদ্ধৃতি

[সম্পাদনা]